কাঁচাবাজারে স্থিতিশীল নিত্যপণ্যের দাম

ঢাকা, ১৬ জুলাই, (ডেইলি টাইমস ২৪):

একই সবজি রাজধানীর পাইকারি আড়তে যে দামে বিক্রি হচ্ছে ঠিক তার দ্বিগুণ দাম খুচরা বাজারে। কারণ হিসেবে সরবরাহ সংকটকে দায়ী করছেন খুচরা বিক্রেতারা, যদিও তা অগ্রহণযোগ্য বলেই মত ক্রেতাদের। তাদের দাবি, সরকারের সুষ্ঠু নজরদারির অভাবেই লাগামহীন হয়ে পড়ছে খুচরা বাজার। বেসরকারী টেলিভিশন চ্যানেলের  এক প্রতিবেদন থেকে এমন তথ্যই জানা গেছে।

এদিকে, সরবরাহ কম থাকায় ইলিশের দাম চড়া হলেও বাজারে অন্যান্য মাছের দাম স্বাভাবিক রয়েছে, বাড়েনি মাংসের দামও।

কারওয়ানবাজার, শুক্রবার রাজধানীর সবচেয়ে বড় এই পাইকারি বাজারের আড়তগুলো থেকে পাওয়া তথ্য বলছে, সেখানে বেগুন বিক্রি হয়েছে ২৫ টাকা দরে, ঢেঁড়স ২৫, আলু ২০, কাঁচামরিচ ২৪, শসার বাজারদর ২৪ টাকা। ঝিঙ্গা ২০, চিচিঙ্গা ২৪, টমেটো ৯০ আর বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা দরে।

এখান থেকে সর্বোচ্চ তিন কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত পলাশী কাঁচাবাজার। ব্যবধান সামান্য হলেও এই বাজারে সবজির দাম তাকে দেখাচ্ছে বুড়ো আঙ্গুল।এখানে বেগুন ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০, আলু ২৮, কাঁচামরিচ ৪০ আর শসা বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা দরে।

প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, রাজধানীর পাড়া মহল্লার প্রায় প্রত্যেকটি খুচরা বাজারের অবস্থা এমনই। কিন্তু কোন অজুহাতে কয়েক ঘণ্টা সময় আর স্থানের ব্যবধানে সবজির দাম দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে তার যুক্তিসংগত কোন উত্তর নেই বিক্রেতাদের কাছে।

তবে ক্রেতারা বলছেন, সুষ্ঠু তদারকির অভাব আর বিপণন ব্যবস্থার ত্রুটির কারণেই পরিবর্তন আসছে না খুচরা বাজারের অস্বাভাবিক আচরণে।

যদিও কিছুটা সুখবর রয়েছে মাছবাজারে, সরবরাহ ঘাটতির কারণে ইলিশের দাম না কমলেও অনেকটাই কমেছে অন্যান্য মাছের দাম।

কমেছে ব্রয়লার মুরগীর দামও, কেজিতে ২০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়, গরু ৪২০, আর খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ টাকা দরে।