প্রবাসীদের অনলাইনে ভোটার হওয়ার কার্যক্রম শুরু

0
31

ঢাকা , ০৬ নভেম্বর, (ডেইলি টাইমস২৪):

অনলাইনে প্রবাসীদের ভোটার হওয়ার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে এই সুযোগ পাচ্ছেন মালয়েশিয়ায় প্রবাসীরা। মঙ্গলবার মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের দূতাবাসে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমেদ এবং বাংলাদেশ প্রান্তে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা ভিডিও সম্মেলনের মাধ্যমে এই কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এর মধ্য দিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোটার হওয়ার পথ খুলল। শিগগিরই সৌদি আরব, দুবাই, মালদ্বীপ, সিঙ্গাপুর ও যুক্তরাজ্যে বসবাসকারীরাও সুযোগটি পাবেন বলে জানিয়েছে ইসি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর। অনুষ্ঠানে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, ভোট দেওয়া নাগরিকের অধিকার। ভোটার হতে পারলে প্রবাসীরা ভোট দিতে পারবেন। তাদের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। সিইসির উদ্দেশে তিনি বলেন, মালয়েশিয়ায় অনেক বাংলাদেশির যথাযথ কাগজপত্র নেই। তারা বিপদে আছেন। আপনারা তাদের ভোটার করার ক্ষেত্রে কাগজপত্রের বিষয়ে একটু নমনীয় থাকবেন। ভোটাররা যাতে প্রবাসে থেকে ভোট দিতে পারেন, সেই ব্যবস্থা করবেন।

অনুষ্ঠানে সিইসি বলেন, আজ একটা ঐতিহাসিক দিন, এটা ঐতিহাসিক ঘটনা। বিদেশে বসেই নির্ধারিত পদ্ধতিতে প্রবাসী বাংলাদেশিরা আবেদন করবেন। সব যাচাই করে কাজ শেষে দূতাবাসের মাধ্যমে এনআইডি পাবেন। প্রবাসে বাংলাদেশিদের ভোটার নিবন্ধনের নানা জটিলতার কথা তুলে ধরে সিইসি বলেন, ‘নানা জটিল প্রক্রিয়ার মধ্যে কাজটা শুরু করেছি। আগামীতে আরো সহজতর করা হবে। নিবন্ধনের কাজে কোনো ধরনের দালালদের খপ্পরে না পড়ার আহ্বান জানিয়ে সিইসি বলেন, কারো কাছে ধরনা দেওয়ার দরকার নেই। নিজেরাই আবেদন করবেন, দূতাবাস সহায়তা করবে।’

নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, ইসির ইতিহাসে আজ এক সোনালি অধ্যায়ের সূচনা হলো। প্রবাসীদের ভোটার নিবন্ধন শুধু ইসির নয়, জাতির জন্য এক গৌরবময় দিন।

জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম অনলাইনে প্রবাসী ভোটার নিবন্ধন-সংক্রান্ত কার্যক্রম উপস্থাপন করেন। তিনি জানান, মালয়েশিয়ার পর পর্যায়ক্রমে যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুরসহ নানা দেশে কাজ শুরু হবে। তিনি জানান, অনলাইনে ভোটার নিবন্ধনের জন্য services.nidw.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে ফরম পূরণ করতে হবে। এরপর বাংলাদেশের তথ্য-উপাত্ত তদন্ত করার পর সংশ্লিষ্ট দেশে বায়োমেট্রিক ও আইরিশ গ্রহণ করা হবে। এরপর দূতাবাসে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ করা হবে।